রাজনীতি

জামালগঞ্জে নিজ উদ্যাগে স্কুল করে দিবেন কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান

  প্রতিনিধি ৬ অক্টোবর ২০২৫ , ১১:২১:১২ প্রিন্ট সংস্করণ

সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপের্টার::

বর্ষায় নাও, হেমান্তে পাও, ছয় মাস জলে, ছয় মাস স্থলে
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার দুর্গম পাগনার হাওরাঞ্চল এলাকায় শিশুদের জন্য স্কুল করার ঘোষণা দিয়েছেন যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। একই সঙ্গে প্রাইমারী স্কুলের শিশু-শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ সহ নানা সেবা প্রদানের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এই ঘোষণা দেন। সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেন, বর্ষাকালে উত্তাল ঢেউ এবং করচ বাগানের জন্য পরিচিত পাগনার হাওর। এখানকার ফেনারবাক ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে প্রায় ১৫০ শতাধিক পরিবারের বসবাস। এই ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ কৃষি ও মৎস্যজীবী। দারিদ্র্যসীমার নিচে তাদের বাস। আর্থিক সংকটের কারণে অনেক পরিবারের ছেলেমেয়ে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। দারিদ্র্যসীমার নিছে থাকা মানুষগুলোর সন্তানদের জন্য গ্রামে নেই প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা। হাওরের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন নাজুক পরিস্থিতি আমাকে কষ্ট দেয়। সেজন্য আমি অঙ্গীকার করছি সুযোগ পেলে শিশুদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করব।
মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার প্রচার ও আমার নির্বাচনী গণসংযোগে রসুলপুর যাওয়ার পর শুনি, গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। ছোট বাচ্চারা মিছিল দিচ্ছে আমাদের দাবি স্কুল স্কুল। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ যারা গড়বে, তাদের তাৎক্ষণিক কথা দিলাম নতুন বছরে তোমাদের বিদ্যালয়ে তোমরা পড়বা। তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের শিক্ষার হার বাড়াতে হবে। আরও যে সমস্ত গ্রামে স্কুল নেই, সেসব গ্রামে দ্রুত কীভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করা যায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।
রসুলপুর গ্রামের সৈয়দুর রহমান বলেন, অতীতে অনেক নেতা আমাদের শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন। কেউ কথা রাখেনি। মাহবুব ভাই আমরার গ্রামে এসে বাচ্চাদের সঙ্গে কথা কইয়া স্কুল ঘর করে দেওয়ার ঘোষণা দেইন। যত টাকা লাগে পানি কমার সাথে সাথে স্কুল ঘর করে দিবেন। আমরা তাইনের জন দোয়া করি, আমরা গ্রামবাসী খুব খুশি হইছি।
লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুয়েল মিয়া বলে, আমি বর্ষায় স্কুলে যেতে পারি না। আমরার গ্রামে স্কুল হলে লেখাপড়া ভালো করে করতাম। মাহবুব চাচ্চু বলছেন স্কুল দিবেন। এতে আমার খুশি লাগছে। চাচ্চুর (মাহবুব) জন্য দোয়া করি।

আরও খবর

Sponsered content