খুলনা

যশোর সদর উপজেলায় রাষ্ট্রীয় শোকের তৃতীয় দিনেও সর: প্রাথ: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পতাকা দেখা যায়নি এগুলো নিয়ে আলোচনা

  প্রতিনিধি ৪ জানুয়ারি ২০২৬ , ৩:৪৭:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধান মন্ত্রী গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আন্দোলনের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ঘোষিত ৩( তিন) দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের তৃতীয় দিনেও সদর উপজেলার বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকা।

এর আগে গত দুই দিনও উপজেলার বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় শোক পালনে অনিয়মের অভিযোগ ২,৩০ থেকে ৩টার মধ্যে স্কুল বন্ধ করে জাতীয় পতাকা নামিয়ে চলে গেছেন সকল শিক্ষকগণ।

দ্বিতীয় দিনেও জাতীয় পতাকা নামিয়ে চলে যাওয়ায় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কতৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তৃতীয় দিনেও উপজেলার বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় গেজেটের এ আইনকে অমান্য করে নিজেদেরকে ধৃষ্টতার পরিচয় দিয়েছে উপজেলার বেশ কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা স্কুল বন্ধ করে চলে যায়।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সদর উপজেলার বৈদ্যনাথতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,রহেলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিমপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হৈবতপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের শহীদ সাখাওয়াত হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লেবুতলা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ১৮১ নং টি, কে, জি, সম্নিলনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ইছাখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ১৯৩ নং কায়েতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৮ নং ঘুরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গোবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃহস্পতিবার তিনটার আগে স্কুল বন্ধ করে চলে গেছেন সকল শিক্ষকগণ।
শুক্রবারে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন জাতীয় পতাকা দেখা যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রেখে শোক পালনের রাষ্ট্রীয় নির্দেশনার গেজেট দেওয়া হলেও সরকারি আইনকে সম্পুর্ন ভাবে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।

দেশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকারি গেজেটের আইনকে না মেনে শোক দিবস পালন করা থেকে বিরত থাকায় অনেকে বিস্নয় প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছে রাষ্ট্রীয় শোক পালনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে আদেশ অমান্য করে থাকেন তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর

Sponsered content