নাগরিক সংবাদ

যতদিন নেত্রকোনা পৌরসভায় আছি মানুষের জীবনযাত্রাসহ পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবো- আরিফুল ইসলাম সরদার

  প্রতিনিধি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ১০:১৫:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :

দেশের সাধারণ জনগণের কাছাকাছি সরকারি সেবা পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরকারি সকল সিদ্ধান্তের সঠিক বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রকৃত সেবায় নিয়োজিত হবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু দায়িত্বের বাইরে গিয়েও অনেক সময় যখন কোনো কোনো সরকারি কর্মকর্তা সাধারণ জনগণকে ভালো রাখার জন্য দিন রাত কাজ করেন আর তাঁদের কাজের ধারাবাহিক গতি যখন অস্বাভাবিকভাবে ভালো হয় তখন তাঁরা সাধারণ জনগণসহ আপামর জনতার শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত হন। এমনই একজন নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার। নেত্রকোনা পৌরসভায় যোগদানের পর থেকেই নিজ কর্মগুণে তিনি জয় করে চলেছেন পৌরবাসীর মন।

তিনি পৌরসভার উন্নয়নে অসংখ্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার কাছে আসা সব সেবা প্রার্থীকে তিনি হাসিমুখে কাঙ্খিত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে সম্পূর্ণরূপে দালালমুক্ত হয়ে সরকারি সেবা পেতে পারে সেই উদ্যোগ নিয়েছেন। পৌরসভায় যোগদানের পর থেকে তার সততা ও কর্মদক্ষতায় পাল্টে গেছে পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। প্রতিটি দপ্তরের কর্মকাণ্ডে ফিরে এসেছে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা। কমেছে জনভোগান্তি আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান। নেত্রকোনা পৌরসভাকে একটি উন্নত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরালসভাবে কাজ করছেন তিনি। জনবান্ধব এই পৌর প্রশাসকের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পৌরসভার জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পৌরসভার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা সর্বস্তরের মানুষের সাথে ক্লান্তিহীনভাবে নানা অভিযোগ,আবেদন-নিবেদন নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে।কাউকে নিরাশ বা হতাশ না করে আইনের ভেতরে থেকে সকলের সমস্যা-চাওয়া পুরণ করতে সাধ্যমত চেষ্ঠা অব্যাহত রেখে যাচ্ছেন তিনি।বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের স্হানীয় সরকারের উপ-পরিচালকের দায়িত্বের পাশাপাশি ও পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

শত ব্যস্ততার মাঝেও পৌরসভা ঘুরে ঘুরে চিহ্নিত করছেন বঞ্চিত,অনুন্নত এবং অবহেলিত এলাকাগুলো।পাশাপাশি দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দিচ্ছেন।বঞ্চিত থাকা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিচ্ছেন উন্নয়নের জন্য সরকারি অনুদান। এদিকে বিগত দিনে পৌরসভার উন্নয়নে নামে যে কল্পকাহিনী শুনে আসছিল পৌর নাগরিকরা তারই বাস্তব দেখতে পাচ্ছেন পৌর প্রশাসকের দায়িত্বভার নেয়ার পর হতেই।পুরো পৌরসভাবেকে উন্নয়নের আওতায় নিয়ে আসতে মাস্টারপ্লান করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজের দরপত্র আহবান করছেন।খুব সহসাই পৌর নাগরিকরা পৌরসভার সিংহভাগ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন এমনটাই আশা করছেন পৌরসভার নাগরিকরা। নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার তিনি ২৯ তম বিসিএসের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। নেত্রকোনা পৌরসভার কাটলী এলাকার বাসিন্দা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট শাহিনুর রশিদ বলেন,আমাদের বর্তমান পৌরসভার প্রশাসক একজন ব্যতিক্রমী জনবান্ধব কর্মকর্তা। তিনি এই পৌরসভায় যোগদানের পর থেকে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। নির্ভীকভাবে ছুটে চলেছেন পৌরসভার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। ‌ প্রতিদিন হাসিমুখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পৌরবাসীদের। এমন জনবান্ধব পৌর প্রশাসক পেয়ে সত্যিই আমরা খুবই আনন্দিত।

নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদারের এসব সাফল্যের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জেলা বিএনপির নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি বলেন, সরকারের মাঠ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা এবং মানবসেবক হিসেবে নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক অসাধারণ একজন মানুষ। সরকারের অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সাথে তিনি সঠিক ভাবে পালন করে যাচ্ছেন। জুলাই – আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একটি কঠিন সময়ে নেত্রকোনা পৌরসভায় যোগদান করে তিনি অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে তাঁর পেশাদারিত্ব ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে সবকিছু ম্যানেজ করেছেন।‌ নিজ কর্ম গুণে তিনি মানুষের মনের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। তার আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় নেত্রকোনা পৌরসভার আপামর জনসাধারণ মুগ্ধ।নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক। নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সব সময় চেষ্টা করি মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের। জেনে বুঝে কখনো আমি আমার দায়িত্বে অবহেলা করিনি। তিনি আরও বলেন, এই পৌরসভার মানুষ খুবই আন্তরিক। ‌যেকোনো প্রয়োজনে জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সহযোগিতা পাওয়া যায়। ‌যতদিন এই পৌরসভায় আছি মানুষের জীবনযাত্রাসহ পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবো। তিনি দায়িত্ব পালনে পৌরসভার কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চান তিনি।

আরও খবর

Sponsered content