প্রতিনিধি ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ , ১:৪৬:০০ প্রিন্ট সংস্করণ
অনুসন্ধান প্রতিবেদন

যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের ভাতুরিয়া ও সারাপোল রোড এলাকায় প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে ভূমিদস্যু মোঃ সজিব ও মোঃ রুসাদ এই দুই জন মিলে অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করে এলাকার পরিবেশ ও এলাকার সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে দীর্ঘদিন ধরে মাটি বিক্রি করে চলেছেন।
চাঁচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে দিয়ে সারা দিন অবৈধ টলি মাটি নিয়ে চলাচল করছে অথচ ভূমি কর্মকর্তা নীরবতা পালন করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভাতুরিয়া ও সারাপোল রোডে পুকুর খনন করে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। এই দুই এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে,তারা বলেন আমাদের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ বৃষ্টি হলে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা সম্ভব হবে না, মাটির গাড়ির কারণে, এলাকাবাসী আরো বলেন আমরা অনেকবার চেষ্টা করেছি মাটির গাড়ি যাতে না চলে কিন্তু মাটির ব্যবসায়ীরা আমাদের কোন কথাই শোনে না, এলাকাবাসী বলেন আমরা এলাকায় বসবাস করছি তা মাটি ব্যবসায়ীদের মনে হয় না। মাটির ব্যবসায়ীরা তাদের নিজেদের ইচ্ছামত মাটির গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন, এলাকাবাসী বলেন রাস্তা পরিষ্কার করার ও কোনো লোক দেয় নাই রাস্তায় যে পরিমাণ মাটি লেগেছে তাতে বৃষ্টির সময় কতো দুর্ঘটনা ঘটবে তা কাউকে বলে কোন লাভ নেই।
কারণ তারা তো মাটি কাটা শেষ হলেই চলে যাবে কিন্তু বিপদে পরবো আমরা এলাকাবাসী তাদের তো কিছু যায় আসে না, তারা বলেন গাড়ির ধুলায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে আমাদের জীবন রাস্তা দিয়ে ধুলার কারণে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়ে গেছে,এখনি যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে বৃষ্টির সময় কি ধরনের সমস্যা তৈরি হবে।
এলাকাবাসী জানায় আমাদের এলাকায় কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ছেলে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার সময় এবং আসার সময় অনেক ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করছেন, বৃষ্টির সময় তো স্কুলে যেতে পারবে না রাস্তায় যে পরিমাণ মাটি লেগে আছে।
এলাকাবাসী বলেন আমরা ভয়ে কিছু বলতে পারি না, কারণ তারা এলাকার প্রভাবশালী তাদের যদি কিছু বলি তাহলে অনেক সমস্যা হতে পারে তাই আমরা বর্তমানে মাটি ব্যবসায়ীদের কিছু বলি না আর বললেও তারা আমাদের কথা শুনবে না,তাই এখন তাদের কেউ কিছু বলে না।
ভূমিদস্যুরা এলাকার পরিবেশ ও সড়ক যে ভাবে ক্ষতি করছে, বৃষ্টির সময় হলে এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচল অস্বাভাবিক হয়ে পড়বে, গ্রামের সড়ক গুলো এতো পরিমাণে মাটি লেগেছে বৃষ্টি যখন শুরু হবে তখন বিভিন্ন গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়বে, প্রতিটি সড়ক এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে দিয়ে সারা দিন মাটির গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে অথচ কর্মকর্তার কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। কর্মকর্তার সাথে যতো বার মাটি উত্তোলনের বিষয় জানানো হয়েছে তিনি বলেন আমার কিছু করার নেই আমার উদ্ধতন কর্মকর্তাদের জানান আমি এই বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।
চাঁচড়া এলাকার দুই ভূমিদস্যুর দ্বিতীয় প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে দেখতে চোখ রাখুন।

















