জাতীয়

হ্যা ভোট হবে ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলার জন্যে- কুড়িগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে আমীর ডা. শফিকুর রহমান

  প্রতিনিধি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১:১৮:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ

আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রামঃ

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদশ- এর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১২ তারিখের সকালে প্রথম ভোট হ্যা ভোট দিয়ে শুরু করতে হবে। হ্যা ভোট হবে ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলার জন্যে।

গতকাল ৪ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে ১১ দলীয় জোটের আয়োজনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মোঃ আজিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান উপরোল্লিখিত কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, হ্যা ভোট শুধু ইনসাফের জন্যেই নয়। হ্যা ভোট বিগত ৫৪ বছরের বৈষম্য দূর করার জন্যে, চাঁদাবাজদের রুখে দেয়ার জন্যে। দূর্নীতিকে লাল কার্ড দেখানোর জন্যে, মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্যে।

জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিজাম উদ্দিন, সহ সেক্রেটারী – মাওলানা আব্দুল হামিদ, শাহজালাল হক সবুজ, জেলা – বায়তুল মাল সম্পাদক জহরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট – ইয়াসিন আলী, এনসিপি’র জেলা আহবায়ক মো: মুকুল মিয়া, খেলাফত মজলিস রংপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক সবেবর মিয়া প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল মোহাম্মদ সিবগাতুল্লাহ, রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, এবং উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের পূর্বে বিশেষ অতিথিবৃন্দ এবং জেলার ১১ দলীয় নেতৃবৃন্দ
তাদের বক্তব্যে বলেন, এয়োদশ নির্বাচন দুটি বিষয়কে সামনে রেখে হচ্ছে, যার একটি জাতীয় নির্বাচন অপরটি গণভোট। এই গণভোট হচ্ছে বিগত ৫৩-৫৪ বছর বাংলাদেশকে যে অধিপত্যেবাদের কবলে আগলিয়ে রাখা হয়েছিলো সেই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়বার জন্যে। এজন্য বাংলাদেশের জনগণকে হ্যা ভোট দিতে হবে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি একটি বড়দল অনেক পরে এসে মাত্র ২/৩ দিন আগে যদিও জনগণের চাপে বলছেন হ্যা ভোটের পক্ষে ভোট দিতে কিন্তু কুড়িগ্রামের অনেকে জানিয়েছে সেই দলের কর্মীরা না ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করছেন।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই – যারা না ভোটের পক্ষে রায় দিবে শেখ হাসিনার মতো তাদেরকেও তাদের অরিজিনাল ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হবে। তাই মনে রাখতে হবে হ্যা ভোটই হচ্ছে আজাদীর আন্দোলন, শহীদ ওসমান হাদীর রক্তের বদলা নেয়ার আন্দোলন। এই হ্যা ভোটের আন্দোলন হচ্ছে বাংলাদেশকে স্বনির্ভর হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য আন্দোলন। এজন্য বক্তারা কোন পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে আমাদের জনগণকে ১২ তারিখে হ্যা ভোটের জন্যে, দাঁড়িপাল্লা ও শাপলাকলি মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান।

নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে এ জনপদে শিল্প কল কলকারখানা তৈরি করে বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করবো। কুড়িগ্রাম – ২ আসনের ১১ দলীয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত শাপলাকলি প্রতিকের প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, আমরা স্পেশাল ট্রেনিং দিয়ে উদ্যোক্তা বানাবো, আমাদের শিক্ষার যে অবস্থা তিনি প্রশ্ন করে বলেন কোন্ স্কুলটি ভালো আছে। সব রাজনৈতিক ভাবে দখল করি ফেলাইছে। আমরা শিক্ষার মানোন্নয়নে কমিটি বানাবো ইনশাল্লাহ। প্রতিটি দলের ভালো মানুষ দিয়ে আমরা স্কুলগুলো মনিটর করবো- করে যেখানে স্কুল খারাপ সেখানে সাপোর্ট দিবো আমরা। কুড়িগ্রাম হবে বাংলাদেশের একটা শিক্ষা নগরী ইনশাআল্লাহ।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, দুর্নীতির কারণে দীর্ঘ ৫৪ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলাম। হ্যা ভোট দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে পারলে কাঙ্খিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো আমরা।

এনসিপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ১২ তারিখের প্রথম ভোট হবে হ্যা, তারপর হবে সরকার গঠনের ভোট। কোথাও আমরা আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নতো করবো না। দেশে কোন চাঁদাবাজি ছিনতাই রাহাজানি থাকবে না, সব সিন্ডিকেট ভেঙে আমরা চুরমার করে দেবো। হ্যা ভোট হলো আজাদী আর না হলো গোলামী। আমরা ইনসাফ ভিত্তিক মানবিক রাজনীতি করতে চাই।

জনসভার শেষ সময়ে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ – এর আমীর ড. শফিকুর রহমান কুড়িগ্রামের ৪ আসনের ৩ টিতে জামায়াত প্রার্থী ও কুড়িগ্রাম -২ আসনে জোটপ্রার্থী শাপলা প্রতিকের প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পূর্বে নারি ভোটারদের উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, এই নারীরাই ২৪-শের গণঅভ্যুত্থানের সময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, আমি শহীদ হতে এসেছি। সেই নারীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন- মা’ তোমাকে সালাম। আমাদের মুক্তির এই বাঁকে মায়েদের যেখানে এই অবদান আমরা বড় ব্যথিত- ভাইয়েরা আপনাদের কাছে লজ্জিত। একটি দল এবং তাদের লেলিয়ে দেয়া কিছু কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় মা- বোনদের নারীদের গায়ে হাত দিচ্ছে। তারা হুমকী দিচ্ছে কাপড় খুলে নিবে। তারা বলছে দেখা হলে, তারা আসলে কাপড় খুলে নাও, তাদের ঠেকাও, তাদের পিটাও লজ্জা- লজ্জা। তিনি প্রশ্ন করে বলেন, তারা কী মায়ের পেটে থেকে দুনিয়ায় আসে নাই। যদি মায়ের পেট থেকে দুনিয়ায় এসে থাকে তাহলে মায়ের গায়ে হাত দেয় কীভাবে। এধরনের বেপরোয়া, বেহায়া কথা বলে কীভাবে। মায়েরা ভয় পাবেন না। ভয় আপনারা পান না আমি জানি। তারপরেও আপনাদের সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আপনাদের সাহস- শক্তি যোগানো। আপনারা লড়ে যাবেন। চোখে চোখ রেখে বলবেন এটা আমার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে আর কোন জমিদার মেনে নেব না। এই বাংলাদেশ হবে জনগণের বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ। আমরা কথা দিচ্ছি আমাদের সব কিছুর বিনিময়ে ইনশাল্লাহ আপনাদের আবাসস্থলে, রাস্তাঘাটে, কর্মস্থলে সব জায়গায় আমরা শতভাগ নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করবো। এটি আমাদের ১ নাম্বার অগ্রাধিকার। যে দেশে আমাদের মা- বোনের কোন নিরাপত্তা নাই সেই দেশ আমার হতে পারে না। আমার এই দেশে যেদিন আমার মায়ের নিরাপত্তা থাকবে, তার নিজগৃহে, কর্মস্থলে চলাচলের অধিকার থাকবে। আমরা জাত দেখবো না, ধর্ম দেখবো না। বাংলাদেশের জমিনে এই গর্বিত নারী জাতির সদস্য- সদস্যা তাদের সম্মান করা আমাদের সব চাইতে বড় দায়িত্ব। এ দায়িত্ব ইনশাআল্লাহ আমরা পালন করবো। আমি দুষ্ট লোকদের দুষ্টামো প্রতিবাদ করি। আমার পিছনে এখন লেগে গেছে। ৭ দিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যা-তা ওখান থেকে চালায়ে দিছে আর অমনি একটা দল ঝাঁপায়ে পড়েছে। তারা তাইরে- নাইরে গান শুরু করে দিছে- লজ্জা লজ্জা। ওদের চুনোপুঁটিরা গাইলো বটে ওদের বড়বড় মাথারাও গান শুরু করে দিলো। আমাদের সাইবার টিম ওদের শক্ত করে ধরে ফেলেছে। আপনারা দেখেছেন ইতোমধ্যে মেইন কালপিটকে গতকাল পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সত্য মেঘের আড়ালে ঢাকা থাকে না। সূর্যকে মেঘ ঢেকে রাখতে পারে না।

যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যুবকরা আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি, যুবকদের হাতে অপমানজনক বেকার ভাতা তুলে দেব না। সবগুলো হাতকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশ গড়ার কারিগরের হাতে ইনশাআল্লাহ আমরা কনভার্ট করবো। সেদিন বলবো এগিয়ে যাও এদেশ তোমাদের। উড়োজাহাজের ককপিটে বসো। আমরা বসবো প্যাসেঞ্জারের সিটে ইনশাল্লাহ। সেই গতিগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। তিনি জনসভার মাঠভর্তি লোকসমাগম দেখে বলেন, কুড়িগ্রামের মানুষের মাঝে আমি আজকে সেই সাহস, সেই শক্তি দেখতে পারছি। যুবকরা তৈরি হয়ে যাও এ বাংলাদেশ আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ। মনে রাখবা এগিয়ে যাব কেউ থামায়ে রাখতে পারবে না।

কুড়িগ্রামের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার দুঃখ তিন- তিনটি নদী। বর্ষা আসলেই মানুষের বুক কাঁপতে শুরু করে। কার ঠিকানা চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে। আমাদের নদী গুলোকে হত্যা করে কঙ্কাল বানানো হয়েছে। মরুভূমি বানানো হয়েছে। সবগুলো চোর ৫৪ বছর নদী শাসন, নদী ভাঙন রোধের জন্য যত বাজেট হয়েছে সব তাদের পেটে হজম করে নিয়েছে। নদী সংস্কারের কাজ করে নাই। চোরেরা টাকা চোর করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। দেশবাসী – কুড়িগ্রামবাসী কথা দিচ্ছি আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন ওদের মুখের ভিতর দিয়ে হাত পেট পর্যন্ত ঢুকিয়ে সব বের করে আনবো ইনশাআল্লাহ। জনগণের টাকা জনগণের রাষ্ট্রের তহবিলে জমা হবে ইনশাল্লাহ। সেজন্য কথা দিয়ে যাচ্ছি বাংলাদেশের সব চাইতে পিছিয়ে পড়া, সব চাইতে বঞ্চিত জেলার নাম হচ্ছে কুড়িগ্রাম। এই কুড়িগ্রাম থেকেই আমাদের উন্নয়ন শুরু হবে ইনশাল্লাহ। কোন দাবী জানাতে হবে না। এটা আমাদের নৈতিক কর্তব্য হবে। এরপর এর থেকে যেটা বঞ্চিত সেখানে যাব। বঞ্চিতদের আর কোন মিছিল করার প্রয়োজন হবে না। যারা রাষ্ট্রের দায়িত্বে যাবে তারা রাষ্ট্রের মালিক নয়, তারা চৌকিদার, চৌকিদারকে চৌকিদারের দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছি ইনশাআল্লাহ এই উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষি শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করবো। আমাদের যুবকরা কাজ পাবে, ভাইয়েরা পাবে। কেউ বেকার থাকবে না ইনশাআল্লাহ। যখন কৃষি বিপ্লব এখানে হবে তখন সবাই কাজ পেয়ে যাবে, বলবেন আমাদের শুধু কৃষক বানায়ে রাখবেন। না- আপনাদের ঘর থেকে পেট থেকে গর্ভ থেকে আগামীতে প্রধানমন্ত্রী বের হবে ইনশাল্লাহ। আমরা সেই প্রত্যাশা করি, আল্লাহর দরবারে সেই দোয়াও করি। যেন আল্লাহ তাআলা এই বঞ্চিত এলাকা মনি- মুক্তা দিয়ে ভরে দেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাত্র দুটি ডিপার্টমেন্ট বাড়ে। এটি এই এলাকার জন্য উপহাস। তিনি প্রশ্ন রাখেন কেন এমন হবে। ইনশাল্লাহ আমরা শিক্ষার গুরুত্ব দেব। সত্যিকারের শিক্ষাটা প্রত্যকটি আদম সন্তানকে পৌঁছ দেব ইনশাআল্লাহ। গরীবের ছেলে- মেয়ে পড়তে পাড়বে না ওই দিন শেষ।
ওই গরীবের ছেলে- মেয়ের ভিতর থেকে বের হয়ে আসবে আগামী দিনের নেতৃত্ব ইনশাআল্লাহ। ওই মেধা গুলোকে বিকশিত করা হবে। যে কথাগুলো বললাম সেই কথাগুলো বাস্তবায়নের তৌফিক শক্তি এবং সাহায্য দিয়ে বাস্তবায়নের জন্য আল্লাহ আমাদের কবুল করবেন।
আমরা যেন অতীতের মতো যারা ধোকা দিয়ে মানুষের ভোটগুলো নিয়ে মানুষের সাথে উপহাস করেছে। আমরা যেন সেই রকম নিমকহারাম বিশ্বাসঘাতক না হই। আমাদের জন্য দোয়া করবেন আপনারা। আমাদের কথাগুলো জনে- জনে, ঘরে- ঘরে পৌঁছে দিবেন আপনারা। সালাম পৌঁছাবেন।
শেষ বক্তব্যে তিনি কুড়িগ্রামের সীমান্তে কাঁটাতারে ফেলানি হত্যার কথা স্মরণ করে বলেন, ও ফেলানি আল্লাহ তোমাকে জান্নাতবাসী করুন। আমি গিয়েছিলাম তার মা- বাবার কাছে। তাদের চোখের পানি দেখে এসেছি। তিনি আবার বলেন, না আমি তাদের চোখের পানি দেখি নাই, আমি রক্ত দেখে এসেছি। দোয়া করবেন আর যেন ফেলানিদের ঝুলতে না হয়। আমরা কথা দিয়ে যাচ্ছি, বাংলাদেশের বন্ধু থাকবে কিন্তু কখনও কাউকে প্রভূ মানব না। কোথাও কোন আধিপত্য ওদের কাছে মাথা নতো করবো না ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য, গতকাল নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে আমীরের আগমন উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ৯ টি উপজেলা থেকে আগত ১১ দলীয় নেতা- কর্মী ও সমর্থকদের আগমনে কুড়িগ্রাম শহর ছিলো মানুষে পরিপূর্ণ।

আরও খবর

Sponsered content