প্রতিনিধি ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ , ২:০৬:২৫ প্রিন্ট সংস্করণ
বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ইন্তাজ আলী(৬০) নামের এক বৃদ্ধকে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে নির্জন স্থানে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে ৫/৬জন মিলে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা অষ্টমনিষা ইউনিয়নের নুরনগর গ্রামের নদীপাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাংলা,হাবিব,জাকারিয়া ও ফরিদ মাসুদ সকলে একাবদ্ধ হয়ে ওই বৃদ্ধকে লাঠি দিয়ে পেটালে তার মাথায়,মাজায় ও পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে ও ফেটে যায়। এ সময় পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা জনতা তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পপ্লেক্সের চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, অষ্টমনিষা ইউনিয়নের নুরনগর গ্রামের মৃত ওমেদ আলীর ছেলে ইন্তাজ আলী তার পিতার চাচাতো ভাইদের শেরে বাংলা,হাবিব,জাকারিয়া গংদের সাথে ওয়ারিশের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই ধারা বাহিকতায় ইন্তাজ আলী তার ওয়ারিশের অংশ পাওয়া তারই বাড়ির পাশের একটি বাঁশ বাগানে বুধবারে দুপুরের দিকে কয়েকটি বাঁশ কাটে। এই খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নুরনগর গ্রামের রহমের ছেলে শেরে বাংলা, হাবিব, জাকারিয়া, আহাম্মেদ আলী ছেলে ফরিদ ও জিল্লুর ছেলে মাসুদ ইন্তাজ আলীকে তার বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেঠাতে থাকে। ইন্তাজ আলীকে অনেকক্ষণ না দেখতে পেয়ে তার স্ত্রী খোঁজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তার বাড়ির অদূরে নির্জন স্থানে ইন্তাজ আলীকে গাছের সাথে বেঁধে পেটানো দৃশ্য তার চোখে পড়ে। তিনি তৎক্ষনাৎ তার স্বামীকে বাঁচানো জন্য ছুটে গেলে তার স্ত্রীকে বিবস্ত্র করে পেটাতে থাকে। তিনি কোন রকমে ছুটে নায়েব আলীর বাড়িতে গিয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে তার স্বামী ইন্তাজ আলীকে বেধে পেটানোর কথা বলতে থাকেন। নায়ে আলী গিয়ে তাকে রক্ষা করতে চাইলে আক্রমণ কারীদের বাধার কারণে তাকে উদ্ধার করতে পারে নি। এ সময় ইন্তাজ আলী পানি পানি বলে চিৎকার করে চাইলেও তাকে পানি পর্যন্ত খেতে দেয় নি আক্রমণকারীরা। এর আগেই স্থানীয়রা থানা পুলিশে খবর দেন। কিন্তু থানা থেকে ঘটনাস্থল দুরে হওয়াতে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছাতে দেরী হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে নায়েব আলী রাস্তায় উঠে পাড়া প্রতিবেশীকে ডাক চিৎকার করে ডেকে নিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন,একজন বৃদ্ধকে এভাবে গাছের সাথে বেঁধে পেটানো দুঃখজনক।

















