তথ্যকণিকা

চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার

  প্রতিনিধি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১১:৫৩:২৮ প্রিন্ট সংস্করণ

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রবিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মো. সালমান হোসেন বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- বড়লেখা উপজেলার গাজীটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ও বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ইসলাম (৪৬), গাজীটেকা গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে ও বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং গাজীটেকা গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. রাজু আহমদ (২৭)।

মামলার এজাহার সূত্রের বরাতে জানা যায়, তালিমপুর ইউনিয়নের মো. বদর উদ্দিনের ছেলে মো. সালমান হোসেন বড়লেখার হাজীগঞ্জ বাজারে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২রা ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মো. সালমান হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের সন্ধানে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় জাহাঙ্গীর আলমকে পাওয়া যায়নি।

পরদিন ৩রা ফেব্রুয়ারি দুপুরে তালিমপুর বড় মসজিদের সামনের রাস্তায় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করেন অভিযুক্ত নাজমুল ইসলাম ও রাজু আহমদ। এ সময় আবু হানিফ জাকারিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি ‘সমাধান’ করে দেওয়া যাবে বলে তারা জাহাঙ্গীর আলমকে জানায়। বিনিময়ে তার কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি রাত ২টার দিকে অভিযুক্ত নাজমুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কলে অন্য আসামিসহ মামলার বাদীর ভাইয়ের কাছে ৩ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরদিন ৫ই ফেব্রুয়ারি পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তত ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাগিদ দেওয়া হয় এবং জানানো হয়, তাদের সঙ্গে আরও ২ থেকে ৩ জন সহযোগী রয়েছে।

বাদীর ভাই পুরো কথোপকথন তার মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। পরে বিষয়টি বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করা হলে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

আরও খবর

Sponsered content