প্রতিনিধি ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ , ১:২২:১৬ প্রিন্ট সংস্করণ
বিশেষ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া নৌ রুটে সি-ট্রাক চালুর মধ্য দিয়ে দ্বীপটিতে আধুনিক ও নিরাপদ নৌ যোগাযোগের সূচনা হলো। এতে যাত্রী চলাচলের পাশাপাশি পর্যটন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি ২৬) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে মগনামা-কুতুবদিয়া নৌ রুটে সি-ট্রাক চলাচলের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
এ সময় দ্বীপের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়।বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা কুতুবদিয়া উপজেলা আয়তনে প্রায় ২১৬ বর্গকিলোমিটার। প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস এই দ্বীপে। দীর্ঘদিন ধরে কুতুবদিয়ায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল কাঠের নৌকা, ট্রলার, ড্যানিশ বোট ও স্পিডবোট।পেকুয়ার মগনামা ঘাটই বড়ঘোপ ও দরবার ঘাটসহ কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের প্রধান যোগাযোগ পথ।প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তাল কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপের বাসিন্দাদের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পর্যটকরা যাতায়াত করেন। তবে সাগর উত্তাল থাকলে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এই যাত্রাপথ হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়তেন যাত্রীরা।
এমন প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে এই নৌ রুটে নিরাপদ ও আধুনিক নৌযান চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন দ্বীপবাসী।সি-ট্রাক চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। তারা জানায়, এতে সময় ও ঝুঁকি দুটোই কমবে। তবে একই সঙ্গে মগনামা-কুতুবদিয়া রুটে ফেরি চালুর দাবিও জানান তারা।উদ্বোধন শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সি-ট্রাকে করে মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়ায় যান।

















