তথ্যকণিকা

সেদিন দাওয়াত গ্রহন করেননি হাতীবান্ধার ওসি

  প্রতিনিধি ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ , ১২:৪১:৫৮ প্রিন্ট সংস্করণ

মমিনুর রহমান,লালমনিরহাট সংবাদদাতা :

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ সেদিন আলোচিত সেই দাওয়াত গ্রহন করেননি এমনকি সেই রাতে কোন আওয়ামীলীগের নেতা বা কর্মীর সাথে কোন বৈঠক হয়নি।

অনুসন্ধান ও সরেজমিনে জানা যায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ -সভাপতি আমজাদ হোসেন তাজুর বাড়িতে নয়। পুলিশের উর্ধ্বতন ওই কর্মকর্তা দাওয়াত গ্রহন করেছেন সেই আলোচিত তাজুর বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন রঞ্জুর বাড়িতে।

আরও জানা যায়, সাখাওয়াত হোসেন রঞ্জু একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে অবসরে গেছেন। তারই মেয়ে শাকিলা খন্দকার  মুনা ওই পুলিশ কর্মকর্তার ৯৮ ব্যাচের বন্ধু। বন্ধুত্বের সুত্র ধরেই তাদের পারিবারিক দাওয়াতে স্বপরিবারে ও বন্ধুসহ উপস্থিত ছিলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে ওই দাওয়াতে উপস্থিত ছিলেন না হাতীবান্ধার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ । তিনি  ওই উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন এবং দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী হাতীবান্ধা উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মোকছেদুর রহমান দবি জানান,ওই রাতে পুলিশের গাড়ী দেখে ওই বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে কিছু কলেজের শিক্ষার্থীসহ পুলিশের ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে খাইতে দেখি। সেটা ছিলো শাখাওয়াত এর বাসা । সেখানে অন্য কোন আওয়ামী লীগের লোকজন উপস্থিত ছিলোনা একটা মহল এটিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

স্থানীয় হাবিবুর রহমান জানান, সেই দিন রাতে ওসি এসেছিলো কিন্তু ভিতরে যেতে দেখিনাই তিনি বড় অফিসারের সাথে দেখা করে চলে গেছে।

এসময় প্রতিবেশি লোকমান হোসেন প্রশ্ন করে বলেন, যদি আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে গোপন বৈঠকেই করে থাকে তাহলে তার ছবি বা ভিডিও তো ওই সাংবাদিকদের কাছে থাকার কথা তাহলে তারা তা প্রকাশ করে না কেন। আসলে গুজব ছড়িয়ে কিছু হাসিলের চেষ্টা চলছে মাত্র।

স্থানীয় জালাল হোসেন বলেন তাজু আওয়ামী লীগ করে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এটা সত্য আবার এটাও সত্যযে পুলিশের বড় অফিসার দাওয়াত খাইতে এসেছিলো তার বন্ধু মুনার বাসায়। এখানে অন্য কোন আওয়ামী লীগের লোকজনকে আমি দেখিনাই। এটা তো রিজুর ও বাড়ি। রিজুতো ছাত্রদলের সাবেক নেতা তাহলে তার নাম না দিয়ে কেন বার বার তাজুর নাম জড়ানো হচ্ছে বুঝলাম না।

স্থানীয় অনেকের দাবী সুষ্ঠু তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা।

আরও খবর

Sponsered content