ইসমাইলুল করিম লামা প্রতিনিধি : ৯ মার্চ ২০২৩ , ৩:২৮:০১ প্রিন্ট সংস্করণ
লামায় বাড়িতে একা পেয়ে তিন বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ আসামী ৮ ঘন্টার মধ্যে পুলিশের অভিযানে আসামী গ্রেফতার।ববা চট্টগ্রামে রিক্সা চালায়, মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কাজে যাওয়ার সময় তিন বছরের শিশুটির মা তার দাদীর কাছে বাচ্চা দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে যান। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতি টের পেয়ে ও কন্যা শিশুর হাতে বিস্কুট দিয়ে ভিকটিমের নিজ বসতঘরেই শিশুটিকে ধর্ষণ করে ধর্ষক। অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম প্রকাশ বেচু (২৯)পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড চেয়ারম্যান পাড়ার জিয়াবুল হকের ছেলে। অভিযুক্ত আসামী ও বাদী পরিবার প্রতিবেশী। বুধবার (০৮ মার্চ) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।নির্যাতনের পরে শিশুটি কান্না করতে করতে তার দাদীর কাছে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানায় এবং তার প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়ার কথা বলে। ভিকটিমের মা ঘটনার বিষয়ে সংবাদ পেয়ে বাড়িতে এসে স্থানীয় লোকজনসহ শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

এদিকে শিশু ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত লামা হাসপাতালে আসে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে লামা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী জানান, আসামী তার প্রতিবেশী হওয়ায় প্রায় সময় তাদের বাড়িতে আসত এবং শিশুটিকে আদর করত। এই কারণে শিশুটি তাকে বিশ্বাস করে তার কাছে গেলে সে এই কুরুচিপূর্ণ ঘটনাটি ঘটিয়ে ফেলে। আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বেও এমন ঘটনার অভিযোগ আছে।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধণী/০৩) এর ৯(১) ধারায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলা নং-০৭/ ৯লা মার্চ২৩ইং। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই পুলিশের কয়েকটি টিম অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার মাঠে নামে। ঘটনার ৮ ঘন্টা না পেরুতে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম প্রকাশ বেচু কে বৃহস্পতিবার রাত ৪টা ২০ মিনিটে লামা সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের রহিমানগর (ঠাকুরঝিরি) মসজিদ সংলগ্ন জনৈক জাহিদুল এর বাড়ী হতে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
মামলার তদন্তকারী অফিসার লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, এইটি চরম নেক্কারজনক ঘটনা। মামলার প্রাথমিক তদন্তকালে বর্ণিত ধৃত আসামী অত্র মামলার ঘটনার সহিত জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য প্রমান পাওয়া যায়। মামলার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত আছে। তবে আসামী ভাঙ্গা গলায় কথা বলে, তাহার কথা স্পষ্ট নয়।

















