প্রতিনিধি ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৮:৫৮:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ
এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও

হারিয়ে যাচ্ছে আবহমান গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খেজুরের রস। গৌরব আর ঐতিহ্যের প্রতীক মধুময় খেজুর গাছ আগের মতো এখন দেখা যাচ্ছেনা। তবে বাঁশখালীর এক দল ব্যাক্তি শীত মৌসুমে খেঁজুরের রস বিক্রির হিড়িক তুলেছে। প্রতিবছর শীত মৌসুম এলে মানুষজন গ্রামাঞ্চলে ছুটে খেজুর রসের খোঁজে। চাহিদা অনুযায়ী প্রাপ্তি না হলেও মৌসুমি চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারেন গাছিরা।
শুধু খেজুরের রসই নয়, এর থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু পাটালি গুড়। খেজুর গুড় বাঙালির সংস্কৃতির একটা অঙ্গ। খেজুর গুড় ছাড়া শীতকালীন উৎসব ভাবাই যায়না। শীতের দিন মানেই গ্রামাঞ্চলে খেজুর রসের মৌ-মৌ গন্ধ। খেজুর রসের পিঠা-পায়েস তো দারুণ মজাদার। এ জন্য শীতের শুরুতেই গ্রামাঞ্চলে খেজুর রসের ক্ষির, পায়েস ও পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যায়।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় গ্রামীন জনপদে উল্লেখযোগ্য হারে খেঁজুর গাছ না থাকায় প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ছুটে আসেন বাঁশখালী থেকে একদল লোক। তারা প্রতিদিন ভোর সকালে কলসী ভর্তি রস নিয়ে ছুটে যান পাড়া মহল্লায়। রস বিক্রেতা একজনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রতিকেজি ৩শত ২০ টাকা হিসেবে বিক্রি করা হয়। নিজেদের এবং আত্মীয়-স্বজনের চাহিদা মিটিয়ে বাইরে বিক্রি করে প্রতিবছরই ভাল উপার্জন হয়ে থাকে।

















